সংস্কৃতি ও সম্প্রীতি
বাঙালি সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে সামাজিক সচেতনতা।
বাঙালি সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মূল্যবোধকে ধারণ করে সামাজিক দুর্যোগ প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক ও সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ।
আমাদের মৌলিক অঙ্গীকারসমূহ
সামাজিক দুর্যোগ প্রতিরোধ অভিযান (পিএসডিপি) — Platform on Social Disaster Prevention — সামাজিক অবক্ষয়, অসহিষ্ণুতা এবং নাগরিক নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে সচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণ গড়ে তোলার একটি নাগরিক উদ্যোগ।
২০২৪ পরবর্তী প্রেক্ষাপটে আমাদের হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের ভিত্তি যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, তা কেবল একক কোনো প্রচেষ্টায় মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। সচেতন নাগরিক ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা নিশ্চিত করতে পরবর্তী সাংগঠনিক উদ্যোগ হিসেবে ‘সামাজিক দুর্যোগ প্রতিরোধ মঞ্চ’ গঠনের প্রস্তাব ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
“সচেতনতা, সহযোগিতা ও সামাজিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, মানবিক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা।”
সচেতন নাগরিক, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সমাজ উন্নয়ন সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে ‘সামাজিক দুর্যোগ প্রতিরোধ মঞ্চ’ গঠনের প্রক্রিয়া একটি প্রস্তাবিত ও পরিকল্পিত উদ্যোগ হিসেবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বর্তমান সমাজে যে প্রধান সংকটগুলো নাগরিক জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তাকে বাধাগ্রস্ত করছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।
বাঙালি সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে সামাজিক সচেতনতা।
নারী-শিশু নির্যাতন, যৌন সহিংসতা, বাল্যবিবাহ ও সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা।
সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ, দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহার এবং মাদকের ক্ষতি সম্পর্কে সচেতনতা।
খাদ্যে ভেজাল, দুর্নীতি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বঞ্চনার বিষয়ে নাগরিক সচেতনতা।
মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিকতা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের চর্চা।
‘সামাজিক দুর্যোগ প্রতিরোধ মঞ্চ’ গঠন এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিচের কর্মসূচিগুলো প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে:
কেন্দ্রীয়, বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়।
এই স্তরভিত্তিক কমিটি গঠন একটি ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক পরিকল্পনা। আগ্রহী নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে এই কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সামাজিক বিপর্যয়ের কারণ, প্রতিকার এবং নাগরিক দায়িত্ব বিষয়ে মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক আলোচনা আয়োজন।
বাঙালি সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চর্চাকে বেগবান করতে ইতিবাচক সাংস্কৃতিক কর্মসূচি।
শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতা, সহনশীলতা, নিরাপদ প্রযুক্তি ব্যবহার ও মাদকবিরোধী সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া।
সমমনা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে যৌথ সচেতনতামূলক উদ্যোগ ও সমন্বয় গড়ে তোলা।
স্থানীয় পর্যায়ে সচেতন নাগরিক ও তরুণদের স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সম্পৃক্ত করে গঠনমূলক সামাজিক উদ্যোগ পরিচালনা।
সচেতন নাগরিক, সামাজিক সংগঠন এবং দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই একটি নিরাপদ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। নিচের যেকোনো একটি মাধ্যম নির্বাচন করে আপনার আগ্রহ জানান।
সচেতনতামূলক আলোচনা, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রস্তাবিত কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে আপনার আগ্রহের কথা জানান।
সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে যৌথ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশীদার হওয়ার প্রস্তাব পাঠান।
নিরাপদ, অসাম্প্রদায়িক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের এই প্রস্তাবিত উদ্যোগে আর্থিক বা নৈতিক সহযোগিতার আগ্রহ নিবন্ধন করুন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ওয়েবসাইটে কোনো অনলাইন পেমেন্ট বা সরাসরি অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে না। আপনার আগ্রহের তথ্য পাওয়ার পর সরাসরি যোগাযোগ করা হবে।
“ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, অসাম্প্রদায়িক ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সচেতন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এই উদ্যোগে আপনাদের সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব কামনা করছি।”
এইচ এম হাসান আল মামুন (লিমন)
কো-অর্ডিনেটর
সামাজিক দুর্যোগ প্রতিরোধ অভিযান (পিএসডিপি)
প্রস্তাবিত ‘সামাজিক দুর্যোগ প্রতিরোধ মঞ্চ’ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে যুক্ত হতে নিচের ফরমটি পূরণ করুন। এই পর্যায়ে ওয়েবসাইটে কোনো অনলাইন পেমেন্ট গ্রহণ করা হচ্ছে না—আপনার আগ্রহের ভিত্তিতে সরাসরি যোগাযোগ করা হবে।